মেজর আক্তারুজ্জামানের মুক্তি ও প্রবাসী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লন্ডনে প্রতিবাদ সমাবেশ

জালালাবাদ প্রতিদিন ডেস্ক প্রকাশিত: ০১:০৯ এএম, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি বন্ধের দাবিতে লন্ডনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ ইউকের উদ্যোগে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঢাকাসহ দেশের সব বিমানবন্দরে প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি নিয়মে পরিণত হয়েছে। টিকিটের সঙ্গে বিমানবন্দর ট্যাক্স নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না দিয়ে উল্টো নানা ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
প্রবাসী অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ ইউকের আহ্বায়ক সলিসিটর জহির আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউরোপের প্রধান মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিউনিটি নেতা সিরাজুল ইসলাম শাহীন, টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার সাইফুদ্দিন খালেদ, গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার আতাউর রহমান ও সাংবাদিক-জননেতা অলিউল্লাহ নোমান।
সাবেক ছাত্রনেতা শাহরিয়ার আলম শিপার ও জুবের আহমদ আহাদের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে রাখেন- সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার ওয়াহিদ মাহবুব, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এমদাদুর রহমান, মানবাধিকারকর্মী রফিকুল ঈসা, সংগঠক আবদুল্লাহ আল মুনিম, রাইট ফর কনসার্নের প্রেসিডেন্ট শফিকুর রহমান খান, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই ইউকের সভাপতি মুসলিম খান, সহকারী সেক্রেটারি রায়হান আহমদ ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সাইফুর রহমান পারভেজ।
শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ফজলুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ বাংলাদেশ চাই ইউকের উপদেষ্টা কাজী নাজমুল আহমদ, মানবাধিকারকর্মী মাওলানা মামুনুর রশীদ, লুৎফুর রহমান, আবদুল মান্নান ও আবদুল করিম প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিমানবন্দরে হয়রানি ও মালামাল চুরির প্রতিবাদ করায় মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে পরিকল্পিতভাবে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্যের সঙ্গে পুলিশের এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে তাঁর মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। অথচ বিদেশে যাওয়া ও দেশে ফেরার সময় তাদের নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। সম্প্রতি দীর্ঘ সময় লাগেজের জন্য অপেক্ষা, সংসদ সদস্যদের বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকা এবং বুকিং করা জমজমের পানি না পাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। এসবের প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুন