বিশ্বনাথে সম্পত্তি লিখে দিতে সৎ ভাইকে হুমকীর অভিযোগ

জালালাবাদ প্রতিদিন ডেস্ক প্রকাশিত: ০২:০৯ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে সম্পত্তি লিখে দিতে জোর জবরদস্তি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও সম্পত্তি লিখে না দিলে প্রবাসে থাকা সন্তানরা দেশে ফিরলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী থাকায় এখন নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছে ওই পরিবার।

বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের ইসবপুর ভুরকি গ্রামের মৃত তমিজ উল্লার পুত্র বশির উদ্দিন এমন অভিযোগ তুলেছেন তার সৎ ভাই রহিম উল্লা ও দুই ভাতিজা গয়াস আহমদ ও সাজ্জাদ আহমদ বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ইউনিয়ন ও বিশ্বনাথ থানায় অভিযোগ করেও কোন সমাধান মিলছেনা বলে জানান তিনি। সন্তানরা প্রবাসে থাকায় বর্তমানে বশির উদ্দিন স্ত্রী নিয়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। এ ব্যাপারে তিনি সিলেট পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা যায়, বিশ্বনাথ থানার লামাকাজি ইউনিয়নের ইসবপুর ভুরকি গ্রামের মৃত তমিজ উল্লার তিন পুত্র। তাদের মধ্যে বশির উদ্দিন ২য় স্ত্রীর সন্তান। আর রহিম উল্লা ও আলা উদ্দিন ১ম স্ত্রীর সন্তান। তমিজ উদ্দিনের মৃত্যুর পর রহিম উল্লায় বশির উদ্দিনের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। প্রায় সময়ই এলাকার প্রভাবশালী এই রহিম উল্লা বশির উদ্দিনের ঘরে গিয়ে সম্পত্তি নেওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এক পর্যায়ে সন্তানের নিরাপত্তা কথা চিন্তা করে বশির উদ্দিন তার দুই মেয়ে রুমানা বেগম ও সারমিনা এবং একমাত্র ছেলে ইমামিম আহমদকে ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দেন।

এদিকে সম্প্রতি আবারও রহিম উল্লা সম্পত্তির জন্য বশির উদ্দিনকে চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি বশির উদ্দিন ও তার স্ত্রী উপর রহিম উল্লা ও দুই ছেলে মিলে হামলা করেন এবং তার ঘরের একটি দেওয়াল ভেঙে ফেলেন। দ্রুত সময়ের সম্পত্তি রহিম উল্লা নামে লিখে না দিলে স্ত্রী সন্তান সহ সবাইকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন। বর্তমানে স্ত্রী নিয়ে আত্মীয় বাসায় আত্মোগোপনে রয়েছেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে বশির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিশ্বনাথ থানা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান সাথে অভিযোগ করেও তিনি কোন সহযোগিতা পাননি।

এ বিষয়ে লামাকাজি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কবীর হোসেন ধলা মিয়া বলেন, ভিকটিম বশির উদ্দিন সম্প্রতি আমার কাছে তার সৎ ভাই রহিম উল্লার বিরুদ্ধে জবর দখলের অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। আমি তাদের সাথে কথা বলছিলাম। কিন্তু রহিম উল্লা আমার কোন কথা শুনেনি।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আরও পড়ুন